মঙ্গলবার সকালে র্যাব-১৫ কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের এক সদস্য বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখসহ সাতজনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেছেন বলে জানান নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ওসি টান্টু সাহা।
আসামিরা হলেন- জামায়তুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়া’র সামরিক শাখার প্রধান ও শুরা সদস্য মাসিকুর রহমান ওরফে রণবীর ওরফে মাসুদ এবং তার সহযোগী আবুল বাশার ওরফে আলম।
.png)
সোমবার ভোরে উখিয়া উপজেলার কুতুপালং ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের এ-ব্লকে জামায়তুল আনসার ফিল হিন্দাল শারক্বীয়ার এক শীর্ষ স্থানীয় নেতাসহ সশস্ত্র সদস্যরা অবস্থান করছে; এ খবরে র্যাবের একটি দল অভিযান চালায়। এতে সন্দেহজনক স্থানে পৌঁছালে র্যাব সদস্যদের উপস্থিতি টের সন্দেহজনক ৮ থেকে ১০ জন দৌড়ে রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুমের পাহাড়ি এলাকায় পালিয়ে যান। একপর্যায়ে দুইপক্ষের মধ্যে গোলাগুলির পর র্যাব সদস্যরা দুইজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।
ওসি টান্টু বলেন, সোমবার উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন বান্দরবানের পাহাড়ি এলাকা থেকে অস্ত্র ও গুলিসহ গ্রেফতার জঙ্গি সংগঠনের দুই সদস্যকে থানায় হস্তান্তর করেছে র্যাব। মঙ্গলবার সকালে র্যাবের এক সদস্য বাদী হয়ে দুইজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো পাঁচজনকে আসামি করে সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
অভিযানস্থল উখিয়া উপজেলার কুতুপালং এলাকায় হলেও অস্ত্র উদ্ধার এবং জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের গ্রেফতারের ঘটনাস্থল বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি থানাধীন। মঙ্গলবার সকালে মামলাটি নথিভুক্ত করার পর গ্রেফতারদের বান্দরবান আদালতে পাঠানো হয়েছে।