সাহিদার মা শাহানূর বেগম বলেন, সন্ধ্যার পর মেয়েকে ঘরে রেখে পাশের বাড়িতে যাই। এর কিছুক্ষণ পরে বাসায় ফিরে দেখি ঘরের দরজা-জানালা বন্ধ। পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দেখি সাহিদা রুমে থাকা ফ্যানের সঙ্গে ওড়না লাগানো অবস্থায় ঝুলছে। এমন অবস্থা দেখে চিৎকার দিলে আশেপাশের লোকজন এসে তাকে নিচে নামায়।
শাহানূর বেগম আরো বলেন, সাহিদা দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিল। কয়েকবার তাকে ডাক্তারও দেখানো হয়। কয়েকদিন সে ভালো থাকে, কিছুদিন গেলে আবার আগের মতো আচরণ শুরু করে। মানসিক এ সমস্যার কারণেই সাহিদা গলায় ফাঁস দিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।
.png)
লালমোহন থানার ওসি (তদন্ত) মো. এনায়েত হোসেন জানান, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তবে পরিবারের কারো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।