কনের মামা সাজ্জাত হোসেন বলেন, হুসাইন নামে এক ছেলে দেখতে এসেছে ভাগ্নিকে। কথা হয় দুই পরিবারের মধ্যে। দেখা শোনা শেষে হয়েছে। কয়েকদিন আগে ছেলে ও তার পরিবার মেয়েকে নাকে নথ পরিয়ে দিয়ে যান। দেনমোহরও ধার্য হলো ৭৫ হাজার টাকা। দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের দিন ধার্য করা হয়েছিল গত রোববার (১৯ ফেব্রুয়ারি)। ২০ থেকে ২৫ জনকে সঙ্গে নিয়ে বর আসার কথা ছিল আমাদের বাড়িতে। আমরাও অপেক্ষা করছিলাম।
তিনি আরো বলেন, সময় পার হচ্ছিল। কিন্তু বরের দেখা নেই। অনেকে অনেক কথা বলছিল। কিছু কানে নিইনি। রোববার বিকেলে, অর্থাৎ বিয়ের দিন বিকেলে শুনেছি ছেলে নাকি অন্য মেয়েকে নিয়ে পালিয়েছে।
.png)
সাজ্জাত হোসেন বলেন, সে আমাদের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। আমার ভাগ্নির জীবন নিয়ে খেলা করেছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা লড়ব।
জানা গেছে, হুসাইনের দাবি করা স্বর্ণের গহনা এবং পালসার মোটরসাইকেল কিনে দিতে মেয়ের বাবা তার দুটি গাভী বিক্রি করেছেন। ফলে মেয়ের বাবা এখন অনেকটা ভেঙে পড়েছেন। দুই থেকে তিন লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে তার। এছাড়া শেষ মুহূর্তে বিয়ে ভেঙে যাওয়া একটা মেয়ের জন্য অনেক বড় রকমের ক্ষতি। যা অপূরণীয়।
ফুলবাড়ি ইউপি সদস্য তোফায়েল আহমেদ লিটন বলেন, বিষয়টি আমি শুনেছি। বিয়ের দিন উধাও হওয়া মোটেও ঠিক হয়নি। বিষয়টি নিয়ে ছেলের পরিবারের সঙ্গে কথা বলব বলে জানান তিনি।