বুধবার ভোরে মধ্যম মোহরা এলাকার কাইয়ুম কলোনিতে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। গ্রেফতারকৃতরা হলেন- চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকার মজিবুর রহমানের ছেলে মো. রাসেল, বাঁশখালী উপজেলার জলদি এলাকার জাফর আহাম্মদের ছেলে মো. জাহেদুল ইসলাম ইমন ও ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মো. হারুনের ছেলে মো. সুমন।
পুলিশ জানায়, পরিবারের সঙ্গে থাকেন ঐ কিশোরী। বকাঝকা করায় ঐদিন সন্ধ্যায় মায়ের সঙ্গে রাগ করে ঘর থেকে বেরিয়ে যান তিনি। এরপর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাফেরা করেন। পরে ঘরে ফেরার চেষ্টা করলেও পথ হারিয়ে ফেলায় তা আর পারেননি।
.png)
একপর্যায়ে রাত ১২টার দিকে নগরের মৌলভী পুকুরপাড় এলাকায় গেলে কিশোরীকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিজের বাসায় নিয়ে যান রাসেল। সেখানে রাসেলসহ তিনজন মিলে তাকে ধর্ষণ করেন। পিয়া নামে এক নারী ঐ কিশোরীকে মারধর ও ধর্ষণে সহযোগিতা করেন। পরবর্তীতে তাকে ঘর থেকে বের করে দেন। বের হয়েই স্কুলের এক শিক্ষিকার সঙ্গে দেখা হয় কিশোরীর। এরপর বিষয়টি জেনে কিশোরীকে থানায় নিয়ে যান তিনি।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মা বলেন, ছোট একটি বিষয় নিয়ে মেয়ের সঙ্গে আমার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর ঘর থেকে বের হয়ে যায় সে। স্বাভাবিক ঘটনা মনে করে আমরা আর খোঁজ নেইনি। পরে পুলিশ জানায়, সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এত ছোট মেয়ের সঙ্গে যারা এমন অন্যায় আচরণ করেছে আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
চান্দগাঁও থানার ওসি খাইরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা অভিযানে নেমে তিনজনকে গ্রেফতার করি। এ সংঘবদ্ধ চক্রটি এলাকায় বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। এ ঘটনায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মা।