বুধবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে গাজীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্) মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলেন আমিনুল ইসলাম রতন, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার মন্ডলবাড়ি গ্রামের আব্দুল কাদের, শরিফ সরকার, গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউপির সিমলাপাড়া (শিড়িশগুড়ি) গ্রামের আবুল হাসেম ওরফে হাসুর ছেলে সোহেল ফকির, ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলার পাগুলি (ঢাকির কান্দা) গ্রামের প্রয়াত ইউসুফ আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী মোল্লা ও গাজীপুর মহানগরের পূবাইল (হায়দারাবাদ) এলাকার ওমর আলীর ছেলে।
.png)
গাজীপুর ডিবি পুলিশের এসআই মিজানুর রহমান জানান, সোমবার রাতে আমিনুল ইসলাম রতনকে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা এবং শরিফ সরকারকে উপজেলার জৈনা বাজার থেকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। তাদের স্বীকারোক্তিতে মঙ্গলবার রাতে সোহেল ফকির ও মোহাম্মদ আলী মোল্লাকে উপজেলার এমসি বাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। বুধবার দুপুরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
তিনি আরো জানান, আমিনুল ইসলাম রতন ও মোহাম্মদ আলী মোল্লা দিনে বিভিন্ন এলাকায় ভাঙারি মালামাল ফেরি করে বেড়াতো। এ সময় ডাকাতির উদ্দেশ্যে টার্গেট করে তাদের দলনেতাকে অবগত করলে রাতে তারা ডাকাতি করতো। পলাতক ডাকাতদের বিরুদ্ধে খুনসহ একাধিক ডাকাতির মামলা রয়েছে। পলাতকদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চলতি বছরের ২৯ জানুয়ারি রোববার ভোর আনুমানিক ৪টার দিকে শ্রীপুর পৌরসভার ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের কেওয়া পশ্চিম খণ্ড মাওনা হাইওয়ে থানা পুলিশ বক্সের পাশে আল-আমিন পোল্ট্রি ফিড দোকানে তারা ডাকাতি করে। তাদের বাধা দেয়ায় নিরাপত্তা প্রহরী হেলাল উদ্দিনকে হত্যা করে গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার হোতাপাড়া (বেগমপুর) এলাকায় লাশ ফেলে পালিয়ে যায়।