অন্যদিকে অবৈধ ট্রাক্টর চলাচলে নষ্ট হচ্ছে ছোটবড় রাস্তা ঘাটও। ট্রাক্টরের মালিকেরা জনদুর্ভোগকে পাত্তা না দিয়ে রাস্তায় দিব্বি ওইসব যানবাহন চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, গতকাল সকাল ও রাতে হালকা বৃষ্টি হওয়ায়পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন ছোট বড় রাস্তাগুলো ব্যাপক কাদাময় হয়ে উঠে। এতে রাস্তায় চলাচলকারী সাধারণ পথচারীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। এছাড়া অটোরিকশা, রিকশা, চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হয়। বিশেষ করে স্কুল-কলেজ, মাদরাসাগামী শিক্ষার্থী, অসুস্থ রোগী ও পথচারীদের ভোগান্তি আরো চরম আকার ধারণ করে। ফসলি জমি ও পুকুরের মাটি ক্রয় করে ট্রাক্টর দিয়ে দিনে রাতে মাটি পরিবহন করায় ও রাস্তায় মাটি পড়ে এ অবস্থা সৃষ্টি হয়। রাস্তায় মাটি পড়ে থাকায় সামান্য বৃষ্টিতে কাদাময় আর পিচ্ছিল হওয়ায় ঘটছে দুর্ঘটনা।
.png)
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, পৌর শহরসহ উপজেলার ছোট বড় প্রতিটি সড়কে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ট্রাক্টর। ওইসব ট্রাক্টরগুলো দিনে রাতে বিভিন্ন জায়গা থেকে মাটি পরিবহন করছে। ট্রাক্টরে ধারণ ক্ষমতার চেয়ে অতিরিক্ত মাটি বহন করায় রাস্তায় পড়ছে । আকাশ ভালো থাকলে ওইসব মাটি রোগে শুকিয়ে যাওয়ায় সারাক্ষণ রাস্তায় ধুলোবালি উঠে পরিবেশ দূষণ করছে।
পৌর শহরের লাল বাজার এলাকার খোরশেদ মিয়া বলেন, ট্রাক্টরের কারণে লাল বাজার থেকে বড় বাজার হয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পযর্ন্ত রাস্তা এমনিতেই ভেঙেছে। ফলে সামান্য বৃষ্টিতে কাদাময় হয়ে ওঠছে সড়ক।
স্কুলছাত্রী আফরোজা আক্তার বলেন, এমনিতেই রাস্তাঘাট তেমন ভালো না। সারাক্ষণ মাটি বোঝাই ট্রাক্টর চলছে। রাস্তায় মাটি পড়ে সারাক্ষণ ধুলোবালি উড়ছে। গতকাল বৃষ্টিতে রাস্তা পিচ্ছিল হওয়ায় খুবই কষ্ট করে স্কুলে যেতে হয়েছে।
গৃহিণী আলেয়া আক্তার বলেন, তার মেয়ে অসুস্থ হওয়ায় ডাক্তার দেখাতে হাসপাতালে নিয়ে আসতে খুবই কষ্ট হয়েছে। রেলওয়ে গেইট থেকে হাসপাতাল পযর্ন্ত রাস্তা না চাষের জমি বুঝা যাচ্ছিল না।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অংগ্যজাই মারমা বলেন, ট্রাক্টর চলার বিষয়টি নজরে এসেছে। এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।