বৃহস্পতিবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) ইব্রাহিম খান। গ্রেফতারকৃত তাহারুল মিয়া রংপুরের পীরগঞ্জ থানার জামালপুর গ্রামের ইয়াসিন আলীর ছেলে। নিহত শিশু সাখাওয়াত গ্রেফতারকৃত তাহারুল মিয়ার স্ত্রী শারমিনের চাচাত ভাই।
উপ-কমিশনার বলেন, ভিকটিম শিশুর জ্যাঠাতো বোন শারমিনের সঙ্গে দুই বছর আগে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা ভোগড়া পেয়ারা বাগান এলাকায় নিহত শাখাওয়াতের পরিবারের সঙ্গে একই বাড়িতে ভাড়ায় বসবাস করতেন। স্ত্রীর সঙ্গে দাম্পত্য কলহ ও শাখাওয়াতের মার বকাবকির কারণে আক্রোশে গত ১৫ মার্চ বিকেলে শিশুটিকে অপহরণ করে ইসলামপুর এলাকায় নিয়ে যান। সেখানে রাত ৮টার দিকে শাখাওয়াতের পরনের লুঙ্গি দিয়ে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যার পর মাটি চাপা দিয়ে চলে যান। অনেক খোঁজাখুঁজির পরও স্বজনরা তাকে না পেয়ে পরদিন থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করেন।
.png)
এরপর গত ১৫ মার্চ বিকেলে মাটি চাপা অবস্থায় ৬ বছরের শিশু শাখাওয়াতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে খবর পেয়ে শিশুর বাবা জাফর আলী ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি তার ছেলে সাখাওয়াতের বলে শনাক্ত করেন। এ ঘটনায় বাসন থানায় হত্যা মামলা করেন শিশুটির বাবা। মামলার পর সিসিটিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় গতকাল বুধবার গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ থেকে হত্যায় অভিযুক্ত তাহারুল মিয়াকে গ্রেফতার করে পুলিশ।