সোমবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান নরসিংদীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অনির্বাণ চৌধুরী।
গ্রেফতাররা হলেন, শিবপুর উপজেলার উল্টর সাধারচর গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের ছেলে মাসুদ মিয়া (৩৩), বেলাব উপজেলার পশ্চিম পোড়াদিয়া গ্রামের মৃত আজম আলীর ছেলে বিল্লাল হোসেন (৪৮), শিবপুর উপজেলার খরকমারা গ্রামের দানেশ ভূইয়ার ছেলে অহিদুল্লাহ ভূঁইয়া (২৫), নেত্রকোণা জেলার কলমাকান্দা থানার সিংপুর গ্রামের মৃত আবদুল কাদিরের ছেলে হোসেন আলী (৫১) ও নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার কাইনালীভিটা গ্রামের মৃত শের আলীর ছেলে এছাক মিয়া (৬০)।
.png)
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) অনির্বাণ চৌধুরী জানান, বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) শিবপুরের কুমারদী গ্রামে দুটি গোয়ালঘরের তালা ভেঙে পাঁচটি গরু চুরি করে নিয়ে যায় চোরেরা। এরপরই চোরদের গ্রেফতারে অভিযানে নামে ডিবি পুলিশ। পরে গোপন তথ্যে রোববার রাতে গ্রেফতাররা সংঘবদ্ধ হয়ে শিবপুরের ইটাখোলা এলাকায় ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন খবর পেয়ে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় একটি একনলা বন্দুক, একটি ওয়ান সুটার গান, দুই রাউন্ড কার্তুজ, একটি পিকআপভ্যান, লোহার পাইপ, দেশীয় অস্ত্রসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান, গ্রেফতাররা আন্তজেলা ডাকাত চক্রের সদস্য। তারা এলাকায় ডাকাতি, গরু চুরিসহ বিভিন্ন অপরাধের সঙ্গে জড়িত। গতকাল রাতেও তারা শিবপুর এলাকায় ডাকাতির জন্য একত্রিত হয়েছিলেন। এর আগে চুরি হওয়া পাঁচটি গরু তারা নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানার এছাক মিয়া ও হোসেন আলীর কাছে বিক্রি করেন। তারা চোরাই গরু নারায়ণগঞ্জ ও কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন গরুর হাটে বিক্রি করে থাকেন। তাদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ডাকাতি ও চুরির একাধিক মামলা আছে।