মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে উপজেলার সুন্দলপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর সুন্দলপুর গ্রামের দেলোয়ার বাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিমের মা রেহানা আক্তার ও পরিবারের অন্য সদস্যরা মঙ্গলবার ভোরে সেহরি খেতে উঠেন। ওই সময় রোজা রাখার জন্য সেহরি খেতে ছেলেকে ডাকাডাকি শুরু করেন তিনি। ছেলে তার মায়ের ডাকে সাড়া না দিলে তিনি জোরে দরজায় ধাক্কা দিলে দরজা খুলে যায়। এ সময় রেহানা বেগম দেখেন ছেলে তাওহিদ টিনের ঘরের আড়ায় গামছায় ফাঁস দিয়ে ঝুলছেন। এরপর রেহানা বেগমের চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেন। খবর পেয়ে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে।
.png)
জানা যায়, ৮ থেকে ৯ মাস আগে তাওহিদ প্রেম করে বিয়ে করেন ফেনীর পশুরাম এলাকার মমতাজ নামের এক তরুণীকে। বিয়ের পর থেকে বাবা-মায়ের সঙ্গে স্ত্রী মমতাজের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ লেগে থাকত। পরিবার ও স্ত্রীর ওপর অভিমান করে সোমবার দিবাগত গভীর রাতের কোনো এক সময়ে বসতঘরে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি।
কবিরহাট থানার ওসি মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা নেয়া হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।