মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন চট্টগ্রাম কাস্টমসের উপ-কমিশনার সাইফুল হক।
জানা গেছে, গত ১৩ মার্চ চালানটি জাহাজে চট্টগ্রাম বন্দরে আসে। এরপর ১৫ দিন পার হলেও এসাইকুডা ওয়ার্ল্ড সিস্টেমে বিল অব এন্ট্রি দাখিল করেননি আমদানিকারক। এতে সন্দেহ হওয়ায় চালানটির বিল অব লেডিং ব্লক করে নজরদারিতে রাখে কাস্টমসের এআইআর শাখা।
.png)
কাস্টমসের উপ-কমিশনার সাইফুল হক বলেন, কাস্টম হাউসের নজরদারি এড়িয়ে পণ্য খালাসের অপেক্ষায় ছিলেন আমদানিকারক। সন্দেহজনক মনে হলে মঙ্গলবার দুপুরে কনটেইনারটি বন্দরের এনসিটি ইয়ার্ডে ফোর্স কিপডাউন করে শতভাগ কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এ সময় ২০ টন ইলেকট্রিক মোটরের বদলে ১৩ হাজার ৫৩০ কেজি নিডো ব্রান্ডের গুঁড়ো দুধ পাওয়া যায়। রাজধানীর সেফটি প্রোডাক্টস নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালানটি আমদানি করে। এর শিপিং এজেন্ট ছিল বিএস কার্গো এজেন্সি লিমিটেড। চালানটিতে ৫৫ লাখ টাকা শুল্ক ফাঁকির চেষ্টা করা হয়। রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে পণ্য খালাসের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের চিহ্নিত করে কঠোর আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।