শুক্রবার দুপুর ২টা পর্যন্ত প্রায় ৪ শতাধিক যাত্রী পারাপার করেছে এ বন্দর দিয়ে। ঈদের পর দিন থেকেই প্রতিদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের লোকজন এ বন্দর দিয়ে ভারতে যাচ্ছেন। তবে ভারতে যাওয়া বেশিরভাগ যাত্রীই আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, দর্শনীয় স্থান দেখা, চিকিৎসা সেবা নেয়া এবং কেনাকাটাসহ নানা কারণে সেখানে যাচ্ছেন।
তবে বেশিরভাগ লোকজনই সকালে গেলে পরদিন কাজ শেষে করে দেশে ফিরছেন। আবার কেউ কেউ দুই-তিনদিন বা বেশি সময় থেকে আসছেন। সড়ক ও রেলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় লোকজন স্বল্প খরচে ভারতের বিভিন্ন প্রদেশে নানা কাজ করতে যাচ্ছেন।
.png)
ইমিগ্রেশন সূত্রে জানা যায়, এ স্থলবন্দর দিয়ে স্বাভাবিকভাবে প্রতিদিন যে পরিমাণ লোকজন যাওয়া আসা করতো ঈদের পর দিন থেকে তা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতিদিন গড়ে ৭-৮শ লোক যাতায়াত করলেও গত ৩ দিনে প্রায় ৫ হাজার লোক পারাপার হয়েছে।
স্থানীয়দের তথ্যমতে, সব শ্রেণি মানুষদের জন্য ভিসা সহজ হওয়ার কারণে লোকজন চিকিৎসা সেবা, আত্মীয় স্বজনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, কেনাকাটসহ অন্যান্য কাজ করতে ভারতে যাচ্ছেন।
কান্দিপাড়া এলাকার মো. বিল্লাল হোসেন বলেন, আমার এক নিকট আত্মীয়ের মেয়ের বিবাহ চলতি সপ্তাহে। তাই আমার স্ত্রীকে নিয়ে ভারতে যাচ্ছি। এই সুযোগে চিকিৎসা সেবাও নেবো।
মাধবপুরের অজিৎ পাল বলেন, কয়েকদিন ধরে আমার স্ত্রীর শরীরটা ভাল যাচ্ছে না। তাই ভারতের আগরতলায় ডাক্তার দেখানোর জন্য আমরা স্বামী-স্ত্রী ভারতে যাচ্ছি। পাশাপাশি কিছু কেনাকাটা করবো।
ঢাকা থেকে আসা মো. ফারুক মিয়া ও রিপন মিয়া বলেন, অনেক দিন ধরেই ভাবছি ভারতে গিয়ে দর্শনীয় জায়গা ঘুরে দেখবো। কিন্তু ভিসাসহ নানা কারণে যাওয়া হচ্ছে না। তবে বেশ কয়েকদিন ছুটি থাকায় ভারতের দর্শনীয় স্থান ঘুরতে যাচ্ছি।
আখাউড়া ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের ইনচার্জ স্বপন চন্দ্র দাস বলেন, ভিসা প্রসেসিং সহজ হওয়ায় এ বন্দর দিয়ে ভারতে যাত্রী দিনদিন বাড়ছে। তবে অন্য মাসের তুলনায় এ মাসে বেশি যাত্রী ভারতে যাতায়াত করছে। আমাদের সাধ্যমতো যাত্রীদের সর্বোচ্চ সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি।