সোমবার সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেন পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক। এর আগে, রোববার রাতে নিহত রাজনের বাবা ফাইজউদ্দিন বাদী হয়ে পলাশ থানায় মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, শনিবার রাত আনুমানিক ৩টার দিকে দুই কিশোরকে ঘোড়াশাল পাইকসা গ্রামে সোবাহান মিয়ার বাড়ির পাশে ঘুরাঘুরি করতে দেখে বাড়ির লোকজন তাদের আটক করে। পরে চোর সন্দেহে তারা রাজন ও ইয়াছিনকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। মারধরের একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই রাজনের মৃত্যু হয়। পরে তার লাশটি ঐ বাড়ির পাশের আশরাফ টেক্সটাইল মিলের একটি পরিত্যাক্ত কারখানার ঝোপে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। এছাড়া আহত কিশোর ইয়াছিনকে উদ্ধার করে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
.png)
পলাশ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, রাজন হত্যার ঘটনায় ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত পরিচয়ের আরো দুই থেকে তিনজনকে আসামি করা হয়েছে। এরই মধ্যে ১০ জন আসামির মধ্যে প্রদীপ দাস, রমেন চন্দ্র দাস, আইয়ুব আলী, নাজমুল, সাদ্দাম, মো. উসমান গনি ও আব্দুর সোবহান নামে সাতজনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।