শনিবার সকাল ৯টার দিকে নিজ ঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় রশি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন বলে জানা গেছে।
জানা যায়, এরশাদ মিয়া বলগেট নৌকা দিয়ে বালু ব্যবসা ও কৃষি কাজ করতেন। গত কয়েক বছর আগে আর্থিক সচ্ছলতার জন্য মালয়েশিয়া যান। সেখান থেকে এসে তিনি বিয়ে করে সংসার শুরু করেন। গ্রামে শুরু করেন বালুর ব্যবসা। এর মধ্যে ৬-৭ বছর আগে এরশাদের স্ত্রীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় তাদের মধ্যে ডিভোর্স হয়। এরপর থেকেই তার ভাইদের সঙ্গে বলগেট নৌকা দিয়ে বালু ব্যবসা করে আসছিলেন এরশাদ।
.png)
শনিবার সকালে ঘুম থেকে উঠে বাড়ির পাশের দোকানে যান। সেখান থেকে প্রতিবেশীদের সঙ্গে আলাপ আলোচনা করে নিজ বাড়িতে চলে যান। বাড়ি গিয়ে মায়ের কাছে সকালের খাবার চান। তার মা রান্না হয়নি জানালে তিনি নিজ ঘরে চলে যান। পরে রান্না হওয়ার পর খাবার খাওয়ার জন্য এরশাদের ভাবি ঘরের বাহির থেকে তাকে ডাক দেন। কোনো সাড়া না পেয়ে ঘরে গিয়ে এরশাদকে আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় দেখে পরিবারের লোকজনকে ডাক দেন। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় এরশাদ মিয়াকে ফাঁসি থেকে নামায় তার পরিবার। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মরদেহের সুরতহাল তৈরির কাজ করা হচ্ছে।
মদন থানার ওসি মোহাম্মদ তাওহীদুর রহমান জানান, সুরতহালের রিপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে। পরিবারের কোনো অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।