ঘটনাটি ঘটেছে কিশোরগঞ্জের উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মঞ্জুনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত স্বপন মিয়া উপজেলার সাদেকপুর ইউনিয়নের মৌটুপীর মঞ্জুনগর এলাকার এমাদ মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, সকালে পারিবারিক কলহ জেরে বিষপান করেন স্বপন মিয়া। পরে গুরুতর অবস্থায় তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নিয়ে আসেন তার স্ত্রী ও শ্বশুড়বাড়ির লোকজন। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। এরপর মরদেহ হাসপাতালে রেখে শ্বশুরবাড়ির লোকজনসহ পালিয়ে যান স্ত্রী। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
.png)
নিহতের মামা বলেন, লোকমুখে শুনেছি আমার ভাগিনার বিষপানে মৃত্যু হয়েছে। তার শ্বশুরবাড়ির লোকজন ও তার বউ নাকি তাকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল। খবর পেয়ে আমি হাসপাতালে এসে দেখি আমার ভাগিনার মরদেহ রেখে পালিয়ে গেছে তার বউসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তবে কী কারণে তার মৃত্যু হয়েছে তা এখনো জানতে পারিনি। এ ঘটনার পিছনে নিশ্চয়ই কোনো রহস্য আছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা.সোয়েব রহমান বলেন, সকালে বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত রোগী নিয়ে স্বজনরা হাসপাতালে এলে আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করি। এরপরেই মরদেহ রেখে পালিয়ে যান স্ত্রীসহ স্বজনরা।
ভৈরব থানার পুলিশ পরিদর্শক এসআই ওসমান গনি বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত চলছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।