ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

নালিতাবাড়ীতে বন্যহাতির তাণ্ডব

নালিতাবাড়ী (শেরপুর )প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২০:২৫, ১৮ জুন ২০২৩
নালিতাবাড়ীতে বন্যহাতির তাণ্ডব
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বারোমারী সাধু লিওর খ্রিষ্টান ধর্মপল্লীতে বন্যহাতির তাণ্ডবে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। 

রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক দফায় বন্য হাতির দল খাবারের সন্ধানে মিশনের সংরক্ষিত এলাকায় প্রবেশ করে তাণ্ডব চালায়। তাণ্ডব চালিয়ে সংরক্ষিত এলাকায় গাছের কাঁঠাল ও কলা গাছ খেয়ে সাবার করেছে। এখন হাতি আতঙ্কে দিনরাত পার করছেন মিশনে বসবাসকারীরা। 

জানা যায়, বন্যহাতির পাল উপজেলার সীমান্তবর্তী বারোমারী সাধু লিওর ধর্মপল্লীর সংরক্ষিত এলাকার পশ্চিম পাশ দিয়ে প্রবেশ করে কাটাতারের সীমানা প্রাচীর দুমড়ে-মুচড়ে শক্ত টিনের বেড়া পা দিয়ে পিষে বিনষ্ট করে। সেই সঙ্গে ভেঙে চুরমার করে ধ্বংস করে ফাতেমা রাণীর তীর্থস্থানে স্থাপিত ক্রুশ। খেয়ে সাবাড় করে গাছের কাঁঠাল। ধ্বংস করে সবজি বাগান, কলাবাগান, ভেঙে ফেলে গাছপালা। মিশন হাসপাতালের টিনের প্রাচীর ভেঙে হাতির দল শূড় দিয়ে পেঁচিয়ে তুলে ফেলে সাব মার্সেবল পাম্পের পানির লাইন। গুড়িয়ে দেয় পানির লাইনের লোহা ও প্লাস্টিকের পাইপ। প্রায় ১৫-২০টি হাতি সারারাত এই তাণ্ডব অব্যাহত রাখে। পরে এক পর্যায়ে খড়ে আগুন ধরিয়ে, টিনে শব্দ করে ও পটকা ফুটিয়ে হাতি তাড়ানো হয়। 

Advertisement

এলাকাবাসী জয়নাল মিস্ত্রি জানান, বন্যহাতির পাল সন্ধ্যা ঘনিয়ে আসলে চলে আসে লোকালয়ে। আবার দিনের বেলায়ও মাঝে মধ্যে তাণ্ডব চালায় হাতির দল। হাতি তাড়াতে প্রয়োজন চার্জার লাইট ও মশাল। মশাল জ্বালাতে দরকার কেরোসিন তেল। লাইট বা তেল সরবরাহ করেন না কেউ। তাই হৈ হুল্লুর করলেও হাতি এখন আর ভয় পায় না।

এ বিষয়ে বারোমারী খ্রিষ্টান ধর্মপল্লীর পাল পুরোহিত রেভারেন্ট ফাদার তরুণ বনোয়ারী বলেন, বন্যহাতি বর্তমানে কোনো বাধাই মানে না। তিনদিন ধরে হাতি আতঙ্কে ও আক্রমণে তারা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছি। এজন্য জরুরি ভিত্তিতে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা দরকার। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমকে
ট্যাগ: শেরপুর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!