ঢাকা,  মঙ্গলবার   ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল মাদরাসাছাত্র

চাঁদপুর প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ২১:৩২, ২ আগস্ট ২০২৩
অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল মাদরাসাছাত্র
মাদরাসাছাত্র নাঈম

চাঁদপুর সদর মডেল থানার ওসি মো. শেখ মুহসীন আলমের নেতৃত্বে অপহরণের ৪৮ ঘণ্টা পর মায়ের কোলে ফিরল মাদরাসাছাত্র নাঈম (১৫)। মুক্তিপণ চাওয়া বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে পুলিশ বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে মাদরাসাছাত্রকে উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে আনে।

জানা যায়, চাঁদপুর সদর উপজেলার ১০নং লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের দোকানঘর এলাকার তাকওয়া দারুল আকরাম মাদরাসার হেফজ বিভাগের ছাত্র নাঈম (১৫)। সোমবার বিকেলে নাঈমের সহপাঠী আবু সাঈদের সঙ্গে মাদরাসায় কাউকে না জানিয়ে চট্টগ্রামে ঘুরতে যায়। পরদিন একটি নম্বর থেকে ফোন আসে; আপনার ছেলেকে আমাদের কাছে কাজ করতে ৭ মাসের চুক্তি করে ২ মাসের বেতন অগ্রিম নিয়ে তার বড় ভাই আমাদের কাছে রেখে গেছে। যদি তাকে ফিরে পেতে চান তাহলে একটি বিকাশ নম্বরে টাকা পাঠান। কোনো উপায় না দেখে নাঈমের বাবা বিকাশ নম্বরে ৯ হাজার টাকা পাঠান। টাকা দেওয়ার পর অপহরণকারীদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় নাঈমের বাবা মঙ্গলবার একটি অপহরণের অভিযোগ করেন।

অভিযোগের পর সদর মডেল থানার ওসি মো. শেখ মুহসীন আলমের নেতৃত্বে পুলিশ পরিদর্শক মো. শামছুল আলম, এসআই শাহরিন হোসেনসহ অন্যান্য সদস্যরা অভিযানে নামেন। পরে বিকাশ নম্বরের সূত্র ধরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে অপহরণকারীর একজনের বাড়ি ভোলা জেলায় স্থানীয় প্রশাসন দিয়ে অভিযান চালায়। জাতীয় পরিচয়পত্র সূত্রে অপহরকারীর বাড়ির ঠিকানা ভোলা থাকলেও তিনি পরিবার নিয়ে থাকেন নোয়াখালীতে। পুলিশের এই কার্যক্রমের খবর চলে যায় অপহরকারীদের কাছে। অবশেষে অপহরকারীরা অপহৃত নাঈমকে চট্রগ্রাম থেকে চাঁদপুরের ট্রেনে উঠিয়ে দেয়।

Advertisement

এ ব্যাপারে নাঈমের বাবা নাছির গাজী জানান, আমার ছেলেকে পেয়ে আমি খুশি। পুলিশকে ধন্যবাদ। তারা চেষ্টা না করলে হয়তো আরো বড় মুক্তিপণ তারা আমার কাছে দাবি করতো।

ওসি মো. শেখ মুহসীন আলম জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজ করেছি। আজ চট্টগ্রামে আমাদের অভিযানে যাওয়ার কথা ছিলো। অপহরকারীরা হয়তো তাদের গ্রামের বাড়িতে আমাদের অভিযানের খবর টের পেয়ে নাঈমকে চাঁদপুরের ট্রেনে উঠিয়ে দিয়েছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/আরএম
ট্যাগ: অপহরণ
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!