মৃতরা হলেন- উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের মনিয়ন্দ গ্রামে মৃত সারু মিয়ার ছেলে জালাল মিয়া ও ধরখার ইউনিয়নের ঝিকুটিয়া গ্রামের নান্নু মিয়ার ছেলে ইব্রাহিম মিয়া। এর মধ্যে জালাল মিয়া মেয়ের সঙ্গে অভিমান কীটনাশক পান করেন ও ইব্রাহিম পারিবারিক কলহের জেরে কীটনাশক ওষুধ খেয়ে আত্মহত্যা করেন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, পারিবারিক কলহের জেরে ইব্রাহিম রোববার রাত সাড়ে ১২টার দিকে সবার অগোচরে কীটনাশক ওষুধ খান। একপর্যায়ে ছটফট করতে থাকেন। পরে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
.png)
অপরদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় জালাল তার মেয়ের জন্য কলা ও রুটি কিনে বাড়িতে নিয়ে যান। এর মধ্যে একটি কলা পচা হওয়ায় তার মেয়ে ঐ কলা বাবার দিকে ছুড়ে মারেন। এতে তিনি খুব কষ্ট পান। মেয়ের দেওয়া কষ্ট সহ্য করতে না পেরে ঘরে রাখা পোকামাকড় মারার কীটনাশক পান করেন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সন্ধ্যায় তিনি মারা যান।
আখাউড়া থানার ওসি (তদন্ত) শফিকুল ইসলাম বলেন, মরদেহগুলো জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।