স্ত্রী, সাত বছরের মেয়ে ও সাত মাসের ছেলেকে নিয়ে বৃহস্পতিবার শ্বশুরবাড়ি দাওয়াত খেতে গিয়েছিলেন মিজান। সেখান থেকে ফেরার পথে মিরপুরে জলাবদ্ধতায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয় তিনজনের। এ ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে গেছে সাত মাসের ছেলে হোসাইন।
শনিবার ঝালকাঠি সদর উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ড বাসন্ডা ইউনিয়নের আগরপাশা গ্রামে তিনজনের একসঙ্গে জানাজা শেষে একই কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
.png)
নিহত মিজানের বড় ভাই আরিফুর রহমান বলেন, আমার ভাইঝি সাত বছরের লিমাকে মাঝখানে রেখে দুই পাশে ওর মা-বাবাকে দাফন করা হয়েছে। জানাজাতেও লিমাকে মাঝখানে রেখে মিজান আর ও স্ত্রীকে দুই পাশে রাখা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমার ভাইয়ের পরিবারটি একেবারে নিভে গেল। এই শোক আমরা কীভাবে কাটিয়ে উঠবো জানি না। মিজানকে বুকে-পিঠে করে ছোটবেলা থেকে বড় করেছি। সেই মিজান ঘুমিয়ে গেল চিরতরে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার রাতে অতি বারী বৃষ্টিতে রাজধানীর বিভিন্ন সড়ক তলিয়ে যায়। মিরপুরের ঢাকা কমার্স কলেজ সংলগ্ন ঝিলপাড় বস্তির সামনের সড়কে জমে থাকা পানিতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নিহত চারজনের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের। এ ঘটনায় অলৌকিকভাবে বেঁচে যাওয়া ৭ মাসের শিশু হোসাইনকে দাদা নাসির হাওলাদারের তত্ত্বাবধায়নে রাখা হয়েছে।