এ ঘটনায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে নেমে আসে শোকের ছায়া। মৃত শহিদুর রহমান উপজেলা সদর ইউনিয়নের কড়াইকান্দি গ্রামের মৃত ফয়জার রহমানের ছেলে।
ইমাম আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘মাগরিবের নামাজের সময় প্রথম রাকাত শেষে দ্বিতীয় রাকাতে সেজদা থেকে তিনি আর ওঠেননি। সালাম ফিরিয়ে দেখি তিনি সেজদারত রয়েছেন। তার শরীরে হাত দিলে লুটিয়ে পড়েন। পরে দেখা যায় তিনি মারা গেছেন’।
.png)
মৃতের ছোট ভাই সৈয়দ জামান বলেন, ‘মঙ্গলবার বড় ভাই রৌমারী বাজার থেকে যাওয়ার পথে বাড়ির কাছাকাছি গিয়ে পিছলে পড়ে আহত হন । পরে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সুস্থ হওয়ায় বুধবার সন্ধ্যার দিকে তাকে ছাড়পত্র দেওয়ার কথা ছিল। মাগরিবের নামাজ আদায় করতে মসজিদে যান তিনি। নামাজের এক রাকাত শেষে পরের রাকাতে সেজদারত অবস্থায় মারা যান তিন’।