রোববার সকালে সাভার উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এসএম রাসেল ইসলাম নূরের উপস্থিততে পৌরসভার ঘাসমহলের আল বেদা বাইতুল নুর জামে মসজিদ কবরস্থান থেকে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়।
পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। নিহত মো. জামাল (৫৩) সাভারের দক্ষিণ রাজাশন এলাকার ফরিদ গোলদারের ছেলে। তিনি পেশায় একজন তেল-মবিল ও খামার ব্যবসায়ী ছিলেন।
.png)
মামলার বাদী ও নিহতের ছোটো ভাই ইমরান হোসেন গোলদার বলেন, গত ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ১১টায় আমাদের বাড়ির পাশেই ফোরকান হাকিমের বাসায় ফোনে ডেকে নিয়ে যান আমার ভাইকে। রাত ১২টার দিকে আমার কাছে ফোন আসে ভাই নাকি অসুস্থ হয়ে গেছেন। পরে আমি সেখানে গিয়ে দেখি আমার ভাই অজ্ঞান হয়ে পড়ে আছেন এবং তার মাথা ও পায়ে আঘাতের চিহ্ন। এরইমধ্যে সেই বাড়ির লোকজন বলেন আমার ভাই স্ট্রোক করেছেন। পরে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সে সময় পরিস্থিতি না বুঝে শোকে মর্মাহত হয়ে আমার ভাইকে দাফন করা হয়।
অভিযোগ করে তিনি আরো বলেন, এরপর থেকে ফোরকান হাকিমের বাড়ি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। এতে আমাদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। এরপর গত ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে গিয়ে একটি মামলা করি। পরে রোববার আদালত থেকে মরদেহ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য বলা হয়।
সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (ইন্টেলিজেন্স) আব্দুল্লাহ বিশ্বাস জানান, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিততে মরদেহটি উত্তোলন করা হয়। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।