এদিকে সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত কুয়াশা চাদরে ঢেকে থাকায় সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। অনেকে এই অসময়ের কুয়াশাকে শীতের আগমনী বার্তা বলে মনে করছে। তবে দিনে প্রখর রোদ থাকলেও শেষ রাতের দিকে কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হচ্ছে।
সকালে দেখা যায়, ভোর থেকেই বৃষ্টির মতো টিপ টিপ করে ঝরতে থাকা কুয়াশায় ভিজে গেছে গাছের পাতা, সবুজ ধানের ক্ষেত আর ঘাসের ওপর থেকে ঝরছে শিশিরবিন্দু। কুয়াশার কারণে হেডলাইট জ্বালিয়ে সকালে সড়কের যানবাহনগুলো চলতে দেখা গেছে।
.png)
উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা বলছেন, আশ্বিন মাসে এমন কুয়াশা সহসায় তেমন চোখে পড়ে না।
সকালে হাঁটতে বের হওয়া আতাউর রহমান জানান, মসজিদে ফজরের নামাজ শেষে বের হয়ে দেখেন চারদিকে ঘন কুয়াশা ঢেকে আছে। গত কয়েক দিন ধরে দিনের বেলায় গরম থাকে আর মাঝরাতে কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হয়। কুয়াশায় মনে হচ্ছে এবার একটু আগেভাগেই শীতের দেখা মিলবে।
সকালে হাঁটতে বের হওয়া মো. মোবারক হোসেন বলেন, ফজরের নামাজের পর প্রতিদিনই আমার হাঁটার অভ্যাস আছে। তাই সকালে ঘর থেকে বের হতেই দেখি শীতের মতোই কুয়াশা পড়ে রাস্তাঘাট ঢেকে আছে। মনে হয়, যেন এখন পৌষ মাস চলছে।
মোটরসাইকেল চালক কামাল মিয়া জানান, প্রয়োজনীয় কাজে তাকে ভোরে বের হতে হয়েছে। কিন্তু ঘর থেকে বের হয়ে তিনি দেখতে পান চারদিকে কুয়াশায় সাদা হয়ে আছে। তাই হেডলাইট জ্বালিয়ে মোটরসাইকেল চলাতে হয়েছে তাকে।
কৃষক মো. আব্দুল আলিম জানান, আশ্বিন মাসে হঠাৎ করে এমন কুয়াশা আগে দেখা যায়নি। পরপর দুইদিন কুয়াশা দেখা গেছে। এতে ধানসহ শীতকালীন আগাম সবজির ক্ষতি হবে বলে ধারণা তার।
আখাউড়া উপজেলা উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, কয়েক দিন ধরে ভোরে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে। এতে পাওয়া যাচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।