রোববার সকালে পৌরসভার নবগ্রাম শীল পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। নিহত শংকর শীল ঐ গ্রামের বিশ্বনাথ শীলের ছেলে।
শংকর শীলের ভাই উত্তম শীল জানান, তার চাচাতো ভাইয়ের ছেলে সত্য শীল, কার্তিক শীল, গোপাল শীল এবং গণেশ শীলদের সঙ্গে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছিল। মাঝে মধ্যেই এনিয়ে ঝগড়া হতো। রোববার ছিল সীমানা পরিমাপের দিন। কিন্তু জমি পরিমাপের আমিন না আসায় কার্তিক ও তার ভাইয়েরা এবং তাদের ছেলেরা শংকরকে অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন।
.png)
উত্তম শীল আরো জানান, এ সময় শংকর শীল সাবেক কাউন্সিলর ছানোয়ার রহমানকে ডেকে নিয়ে আসেন। ছানোয়ার রহমান ঘটনাস্থলে আসার পর কার্তিকের ছেলে কৃষ্ণ শংকর শীলের ছেলে রতনকে মারধর করেন। এ সময় শংকর এগিয়ে গেলে সত্য শীলের ছেলে মিঠুন তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন। এতে তার মৃত্যু হয়।
সাবেক কাউন্সিলর ছানোয়ার রহমান জানান, দীর্ঘ দিন ধরে দুই পরিবারের মধ্যে বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলছে। রোববার এনিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় শংকর শীল মাটিতে পড়ে যান। হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়। পরে পুলিশ এসে বেলা ১১টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে পাঠায়।
মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি আব্দুর রউফ সরকার জানান, শংকর শীলের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কার্তিক শীল, তার ছেলে কৃষ্ণ ও ভাই গনেশ শীলকে আটক করা হয়েছে। নিহতের ছেলে পংকজ শীল বাদী হয়ে একটি মামলা দায়েরর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।