জানা গেছে, র্যাব-১৫ এর একটি দল কক্সবাজার উখিয়ার ১৭-নং রোহিঙ্গা ক্যাম্প এলাকা থেকে আরসার স্লিপার সেল ও ওলামা বডির অন্যতম শীর্ষ কমান্ডার মৌলভী হামিদ হোসেন, অর্থ সমন্বয়ক আবু তৈয়ব প্রকাশ এবং ক্যাম্প-৪ এক্সটেনশন এলাকা থেকে আরসার ইন্টেলিজেন্স সেলের কমান্ডার ওসমান গনিকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (২০ নভেম্বর) র্যাব-১৫ কক্সবাজার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন।
.png)
তিনি বলেন, হামিদ গ্রাম্য ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত ছিলেন। তার বাবাও একজন গ্রাম্য ডাক্তার ছিলেন। এই পরিচিতিকে কাজে লাগিয়ে শিক্ষিত এবং স্থানীয় রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রভাব থাকায় তিনি দ্রুত গ্রেফতারকৃত ওলামা বডির প্রধান সালমান মুরব্বীর অন্যতম সহযোগী হয়ে ওঠেন এবং ওলামা বডির কার্যকরী সদস্য হন। তিনি আরসার নতুন সদস্য নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।
সালমান মুরব্বী গ্রেফতার হওয়ার পর হামিদ তার স্থলাভিষিক্ত হয়ে ওলামা বডির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তার নেতৃত্বে তিনি স্লিপার সেল গঠন করেন। তিনি ক্যাম্পে অবস্থানরত যুবক ও শিক্ষিত রোহিঙ্গাদের টার্গেট করে আরসায় যোগদানের জন্য কর্মী সংগ্রহ, নির্বাচিত কর্মীদের বিভিন্ন তথ্যাদি যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য ব্যক্তিদের আরসায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা করতেন এবং আরসার আর্থিক সহায়তায় তাদের ভরণপোষণও চালাতেন। তিনি আরসায় ৬০ জন নতুন সদস্য যুক্ত করেছেন।
র্যাব-১৫ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন বলেন, গ্রেফতারকৃত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থানায় হস্তান্তর করা হবে।