নিহত মেহেদী হাসান উপজেলার বড়বিলা গ্রামের রেজাউল ইসলামের ছেলে। তিনি একই এলাকার গোসাইবাড়ি বাজারে শাহাদৎ হোসেনের ডেকোরেটরের শ্রমিক ছিলেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মেহেদী হাসান ২৬ ডিসেম্বর রাতে বগুড়ার ধুনট উপজেলার চিকাশি ইউনিয়নের গজারিয়া গ্রামে ওয়াজ মাহফিলের একটি অনুষ্ঠানে ডেকোরেটরের কাজ করতে যান। সেখানে শ্যালো মেশিন দিয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের কাজ করেন মেহেদী হাসান। একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত মেহেদীর গায়ের চাদর চলন্ত শ্যালো মেশিনের চাকায় আটকে গলায় ফাঁস লাগে। এ সময় অনুষ্ঠানের লোকজন তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেহেদী হাসানের মৃত্যু হয়।
.png)
ধুনট থানার ওসি সৈকত হাসান বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে মেহেদী হাসানের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।