পাহাড়ি গ্রামগুলো রাতের বেলায় ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে যায়। দিনের বেলায় বয়ে চলে হিমালয়ের হিম শীতল বাতাস। বেলা ১১-১২ টার আগে সূর্যের দেখা পাওয়া যায় না। বর্তমানে রাতে তাপমাত্রা ১২ থেকে ১৫ ডিগ্রি আর দিনে ১৫ থেকে ২০ ডিগ্রিতে উঠানামা করছে।
শীতার্তরা ভিড় করছেন পুরাতন শীতের কাপড়ের দোকানে। চলমান শৈত্যপ্রবাহে গৃহপালিত পশুপাখির অবস্থা বেহাল। এদেরকে ছালা বা বস্তার চট পরিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন কৃষকরা।
.png)
নাকুগাঁও স্থলবন্দরের লোড আনলোড শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সুজন মিয়া জানান, নাকুগাঁও স্থলবন্দরে কর্মরত শ্রমিক রয়েছে ৪ হাজার। এরমধ্যে প্রতিদিন ৩ হাজার শ্রমিক এ বন্দরে পাথর ভাঙার কাজ করেন। বন্দরটি সীমান্তর্তী পাহাড়ি এলাকা হওয়ায় এখানে হিমালয় পর্বতের শীতল বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থলবন্দর শ্রমিকদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কম্বল বরাদ্দ দেওয়ার দাবি জানান তিনি।
নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইলিশায় রিছিল বলেন, উপজেলায় এ পর্যন্ত ৬ হাজার ২৪০ কম্বল বরাদ্দ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৫ হাজার কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। বাকি কম্বলগুলো বিতরণ করা হচ্ছে। এছাড়া শীতার্তদের জন্য নতুন করে আরো কম্বল বরাদ্দ পেতে কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।