রোববার দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা জাহান।
জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে খননযন্ত্রের সাহায্যে ফসলি জমি পুকুরের মতো কেটে বালু ও মাটি তুলছে কয়েকটি চক্র। এসব বালু ও মাটি পাইপ ও ট্রাক্টরের মাধ্যমে বিভিন্ন চক্রের সদস্যরা অন্যত্র নিয়ে পুকুর ও জলাশয় ভরাট করছেন।
.png)
এ অভিযোগে উপজেলার জিনোদপুর, সাতমোড়া ও রতনপুর ইউনিয়নে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহমুদা জাহান। এ সময় উপজেলার মালাই গ্রামে দুটি খননযন্ত্র উদ্ধার করা হয় এবং এর সঙ্গে থাকা বালু বহনের পাইপ ধ্বংস করা হয়। খননযন্ত্রের মালিক সজল মিয়াকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এছাড়া উপজেলার সাতমোড়া ও রতনপুর ইউনিয়ন থেকে তিনটি খননযন্ত্র উদ্ধার করা হয় এবং সংযোগ পাইপগুলো বিনষ্ট করা হয়।
মাহমুদা জাহান বলেন, ফসলি জমি রক্ষার্থে জনস্বার্থে এ অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানের সময় পাঁচটি খননযন্ত্র উদ্ধার করে তাদের সংযোগ পাইপগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। খননযন্ত্রের এক মালিককে বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।