জানা যায়, রোববার (৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় কীটনাশক পান করে পপি আক্তার মারা যায় আর নানার বসতঘরে ফাঁসিতে ঝুলে রাজন মিয়া মারা যায় মঙ্গলবার। নিহতরা উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের কন্যা ও ছেলে।
নিহত পপি আক্তার ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার নিভিয়াঘাটা ফাজিল মাদরাসার দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং রাজন মিয়া কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণি ছাত্র।
.png)
জানা যায়, পপি আক্তার রোববার সন্ধ্যার দিকে কীটনাশক পান করে গুরুতর আহত হলে তাকে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওইদিন রাত পৌনে ৮ টার দিকে মৃৃত্যু হয়। পপির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার বিকেলে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়। শোকে মূহ্যমান অবস্থায় মঙ্গলবার দুপুরে বোনের মৃত্যুর শোক সইতে না পেরে নানার বসতঘরে আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস লাগিয়ে মারা যায় কলেজ পড়ুয়া রাজন মিয়া। পর পর ভাইবোনের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উপজেলার স্থানীয় রোয়াইলবাড়ি ইউপি সদস্য আবু হারেস এবং ইউপি চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বলেন, কুতুবপুর গ্রামের আবদুর রহিমের মেয়ে পপি আক্তার বিষ খেয়ে এবং ছেলে রাজন মিয়া ফাঁসিয়ে ঝুলে এক দিনের ব্যবধানে ভাই বোন আত্মহত্যা করেছে। তাদের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কেন্দুয়া থানার ওসি মো. এনামুল হক জানান, ভাইবোনের মৃত্যুর ঘটনা খুবই দুঃখজনক। পপির লাশ ময়নাতদন্ত শেষে দাফন কাজ হয়েছে। তাছাড়া ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসলে নিহতের প্রকৃত কারণ জানা যাবে। আর রাজনের লাশের ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা সদর হাসপাতালে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। এ বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।