স্থানীয় পাইকাররা আড়তে প্রতি কেজি কুমড়া বিক্রি করছেন ৩৫-৪০ টাকা। বর্তমানে খোলা বাজারে কুমড়া কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা করে। এ বছর কুমড়ার উৎপাদন কম হলেও দাম পুষিয়ে নিচ্ছেন কুমড়া চাষিরা।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, শ্রীনগর উপজেলার গাদিঘাট বাজার সেতু সংলগ্ন ট্রলার ভর্তি বিশাল সাইজের কুমড়ার সমারোহ। আড়িয়াল বিলের বিভিন্ন ভিটায় উৎপাদিত এসব কুমড়া আনা হচ্ছে বিক্রির জন্য। স্থানীয় পাইকাররা ট্রলারে থাকা এসব কুমড়ার স্তুপ চুক্তিতে কিনে রাজধানীর বিভিন্ন সবজির পাইকারী বাজারে নিয়ে যাচ্ছেন। শ্রমিকরা নৌকায় কুমড়া আনলোড করে ট্রাকে লোড করছেন।
.png)
মহিউদ্দিন দেওয়ান জানান, এ বছর তিনি ২০টি ভিটায় বড় সাইজর লম্বাকৃতির চৈত্রালী কুমড়া আবাদ করেছেন। এ পর্যন্ত ৭০ হাজার টাকার কুমড়া বিক্রি হয়েছে।
বাবুল ব্যপারী বলেন, ৮০ হাজার টাকার কুমড়া বিক্রি করেছি। তবে শ্বেতি রোগের প্রভাবে কুমড়ার সাইজ অনেকাংশে ছোট হয়েছে।
কৃষক দেলোয়ার হাসান জানান, তিনি ৪০টি ভিটায় কুমড়ার চাষ করেছেন। এরই মধ্যে দেড় লাখ টাকা বিক্রি হয়েছে। এ সিজনে সাড়ে ৩ লাখ টাকার কুমড়া বিক্রির স্বপ্ন দেখছেন। চৌত্রালী জাতের একেকটি কুমড়ার ওজন ৫০-৮০ কেজি হলেও এ বছর কুমড়ার আকৃতি ছোট হয়েছে।
শ্রীনগর উপজেলা কৃষি অফিসার মোহসিনা জাহান জানান, শ্বেতি রোগ প্রতিরোধে কীটনাশক স্প্রে করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আড়িয়াল বিলে ১২০ হেক্টর জমিতে কুমড়ার চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। কৃষকরা মিষ্টি কুমড়া বিক্রি করে ভালো দাম পাচ্ছেন।