এর আগে ফরহাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তি চারজনের নামসহ অজ্ঞাত ২-৩ জনকে আসামি করে দেবীগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেন।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন ঢাকা জেলার দোহার থানার শেখ নজরুল ইসলামের ছেলে চাঁদ মিয়া রিদয়, তার স্ত্রী ইশরাত জাহান রিয়া, দেবীগঞ্জ উপজেলার পামুলী ইউপির মাঝাডোবা গ্রামের মাজেদুল ইসলামের ছেলে শহীদ আলী ও মোসলেম পাইকান এলাকার সেকেন্দার আলীর স্ত্রী জাহানারা বেগম।
.png)
জানা যায়, গত শনিবার উপজেলার পামুলী ইউপির মাঝাডোবা গ্রামে ফরহাদের বাসায় তার স্ত্রী সাহেরা খাতুনকে ৫৫ হাজার টাকা বেতনে বিদেশে চাকরি প্রদানের প্রস্তাব দেন একই এলাকার শহীদ আলী। তবে সাহেরা খাতুন এতে রাজি না হওয়ায় শহিদ তার স্বামী ফরহাদকে মুঠোফোনে বিষয়টি জানায়। পরে ফরহাদকে ফোনে রিদয় ও তার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলিয়ে দেন শহিদ। ফরহাদের এতে সন্দেহ হলে তিনি কৌশলে অভিযুক্তদের তার বাড়িতে আসতে বলেন।
রোববার গ্রেফতারকৃত চারজনই ফরহাদের বাসায় এসে চাকরির বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা সম্পর্কে জানায়। তবে সাহেরাকে কি চাকরি দেওয়া হবে, এত টাকা বেতন কেন এইসব প্রশ্ন করলে অভিযুক্তদের কথা অসংলগ্ন মনে হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা ফরহাদের বাসায় ভিড় জমায়। পরে বিষয়টি দেবীগঞ্জ থানায় জানানো হলে চারজনকে পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
স্থানীয়রা জানান, শহিদ এবং জাহানারা বেশ কিছু দিন থেকে এলাকার বিভিন্ন নারীকে বিদেশে ভালো বেতনে চাকরি পাইয়ে দেবেন বলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেন। রিদয় ও তার স্ত্রী বিদেশে যাওয়ার সব খরচ বহনসহ চাকরিতে যোগদানে সহযোগিতা করবেন বলে জানানো হয়। শহিদ ও জাহানারা স্থানীয় নারীদের বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে আকৃষ্ট করতে কাজ করছিলেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।
দেবীগঞ্জ থানার ওসি সরকার ইফতেখারুল মোকাদ্দেম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইনে মামলা দায়ের হয়েছে।