মঙ্গলবার দুপুরে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এর আগে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই লাশ দেখে ৯৯৯ এ ফোন দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।
পাথরঘাটা থানার ওসি (তদন্ত) সাইফুজ্জামান বলেন, স্থানীয়রা লাশ দেখে প্রথমে ৯৯৯ এ খবর দেয়। সেখান থেকে পাথরঘাটা থানায় খবর আসলে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করা হয়। তবে এখন পর্যন্ত লাশের পরিচয় শনাক্ত হয়নি। খোঁজ খবর নেয়া হচ্ছে। লাশের ডান হাত কবজি থেকে বিচ্ছিন্ন এবং গলায় রশি বাঁধা দেখা যায়। ডান হাতে একটি ব্রেচলেট পাওয়া যায়।
.png)
তিনি আরো বলেন, ধারণা করা হচ্ছে বৃহস্পতিবার রাতে সাগরে জেলেকে কুপিয়ে হত্যা করে পানিতে ফেলা দেওয়া জেলের লাশ হতে পারে। লাশের খবর পাওয়ার পর সাগরে নিহত জেলে রাশাদের ভাইসহ পরিবারের সদস্যরা পাথরঘাটার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়েছেন। তারা আসার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে এ লাশ কুপিয়ে হত্যা করা রাশাদের লাশ কিনা।
এদিকে নিহত রাশাদের ভাই মো.তুহিন খান বলেন, ‘রাশাদের ডান হাতে একটি ব্রেচলেট ছিলো। যদি লাশের সঙ্গে ব্রেচলেট থাকে তাহলে ওটাই আমার ভাই রাশাদের লাশ।’
এর আগে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কূলে ফেরার পথে পটুয়াখালীর গলাচিপার পানখালীর দণি বঙ্গোপসাগরে জেলে রাশাদকে হত্যা করে লাশ পানিতে ফেলে দেয় ইব্রাহিম। এ সময় ট্রলারের আরেক জেলে জামালকে কুপিয়ে জখম করে নদীতে ফেলে দেয়। পরে ট্রলারসহ মাছ লুট করে বিক্রি করতে এসে জনতার হাতে ধরা পড়ে ঘাতক জেলে ইব্রাহিম। এ সময় ইব্রাহিমকে পুলিশে সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা। নিহত রাশাদ পটুয়াখালী জেলার রাঙাবালি উপজেলার চরমোন্তাজ এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে ও লুট হওয়া ট্রলারটির মালিক। অন্যদিকে ঘাতক ইব্রাহিমের বাড়ি বরগুনার তালতলী উপজেলার অঙ্কুজান পাড়ায়।