জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে প্রবাসী বশিরের ছেলে মনজুরের সঙ্গে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় উপজেলার চিকনদন্ডী ইউনিয়নের আবদুল কাদেরের মেয়ে মেহেরুন্নেছার। বিয়ের পর ছুটি শেষে দেড় মাস আগে ফের বিদেশে পাড়ি জমান মনজুর। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে খাওয়া-দাওয়া শেষে নিজকক্ষে ঘুমোতে চলে যান গৃহবধূ মেহেরুন্নেচ্ছা।
পরদিন বেলা বাড়লেও কক্ষ থেকে বের হননি মেহেরুন্নেচ্ছা। ডাকাডাকির পরও সাড়া-শব্দ না পেয়ে দরজা ভাঙলে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। পরে খবর পেয়ে মরদেহটি উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের (চমেক) মর্গে পাঠায় পুলিশ।
.png)
তবে, মেহেরুন্নেচ্ছার বাবার বাড়ির সদস্যদের দাবি- স্বামী বিদেশ চলে যাওয়ার পর থেকেই যৌতুকের জন্য তাকে বিভিন্ন সময় মানসিক নির্যাতন করতেন শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা। তারাই তাকে হত্যা করে আত্মহত্যার নাটক সাজিয়েছেন।
হাটহাজারী মডেল থানার এসআই আলী আকবর বলেন, সুরতহাল শেষে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একজনকে আটক করা হয়েছে।