মঙ্গলবার বিকেলে জেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
এর আগে, ভোরে মেঘনা নদী থেকে মৎস্য বিভাগ ও নৌপুলিশ অভিযান চালিয় তাদের আটক করে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অমিত কুমার বিশ্বাস আটককৃত ৬ জনের প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। অপ্রাপ্ত বয়স্ক ৪ জনকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। এছাড়া জব্দকৃত জাল মজু চৌধুরীর হাট এলাকায় প্রকাশ্যে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে।
.png)
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মোসলেহ উদ্দিন, মো. সালাহ উদ্দিন, আকাশ মাঝি, মনির হোসেন, মো. শাহিন, ও শাহ আলম মাঝি, তারা সবাই সদর উপজেলার চররমনী মোহিন ইউনিয়নের বাসিন্দা। প্রাপ্ত বয়স না হওয়ায় সবুজ, তারেক, হৃদয় ও সামছুকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার ভোরে মেঘনা নদীতে যৌথ অভিযান পরিচালনা করে মৎস্য বিভাগ ও নৌপুলিশ। এ সময় মতির হাট এলাকা থেকে ১০ জেলেকে আটক করা হয়। এ সময় তাদের চারটি নৌকা ও আড়াই হাজার মিটার কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়।
জেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. আল আমিন বলেন, চার জেলে সবুজ, তারেক, হৃদয় ও সামছু অপ্রাপ্ত বয়স্ক হওয়ায় তাদের দণ্ডাদেশ না দিয়ে মুচলেকা নিয়ে এবং দুটি ডিঙি নৌকাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। অন্য আটককৃত ৬ জনকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে প্রত্যকের দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। জব্দকৃত মাছ অসহায় মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।