ঢাকা,  সোমবার   ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]
মেঘনায় ট্রলারডুবি

বান্ধবীর প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে নদীতে ডুবে মরলেন আনিকা

ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৫০, ২৩ মার্চ ২০২৪
বান্ধবীর প্রেমিকের সঙ্গে ঘুরতে গিয়ে নদীতে ডুবে মরলেন আনিকা
আনিকা- ফাইল ফটো

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পর্যটকবাহী নৌকায় বান্ধবী লুবার সঙ্গে ঘুরতে বের হন আনিকা (১৮)। সঙ্গে ছিলেন বান্ধবীর প্রেমিকও। কিন্তু মেঘনা নদীতে নৌকাডুবির ঘটনায় নিখোঁজ রয়েছেন আনিকা।

আনিকা নরসিংদীর বেলাব থানার দড়িকান্দি এলাকার দারু মিয়ার মেয়ে। তিনি এবার নরসিংদী মডেল কলেজ থেকে এইচএসসি পাস করেছেন।

শুক্রবার (২২ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় দিকে ভৈরবের মেঘনা নদীতে সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর নিচে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় তাদের বহনকারী নৌকাটি ডুবে যায়। এ ঘটনায় আটজন নিখোঁজ রয়েছেন। তবে, এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মোট চারজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

Advertisement

জানা গেছে, শুক্রবার খালার বাড়িতে যান আনিকা। সেখান থেকে বান্ধবী লুবা ও তার প্রেমিককে নিয়ে মেঘনায় ভ্রমণের জন্য নৌকায় ওঠেন তিনি। এ সময় বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় তাদের নৌকাটি ডুবে যায়। নৌকাটিতে ১৫-১৬ জনের মতো যাত্রী ছিলেন। এদের মধ্যে মৃত চারজনসহ ১২ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। এখনো চারজন নিখোঁজ রয়েছেন, তার মধ্যে আনিকাও একজন।

নিখোঁজ আনিকার ভাই মেহেদি হাসান বলেন, ‘আমার বোন খালার বাড়িতে গিয়েছিলো। সেখান থেকে তার বান্ধবী লুবার সঙ্গে ভৈরবের মেঘনা নদীতে ঘুরতে যায়। ট্রলারে নদী ভ্রমণের সময়ে হঠাৎ বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় নৌকাটি ডুবে যায়। লুবা সাঁতার কেটে প্রাণে বেঁচে ফিরলেও আমার বোন ফিরতে পারেনি।’

আনিকার বাবা দারু মিয়া বলেন, ‘ইফতারের পর নামাজ শেষে জানতে পারলাম আমার মেয়ে মেঘনা নদীতে নৌকা ডুবে নিখোঁজ হয়েছে। আমি জানতাম আমার মেয়ে তার খালার বাসায় গেছে। ভৈরবে যে তার বান্ধবীর সঙ্গে গেছে সেটি জানতাম না। কয়েকজন উদ্ধার হলেও আমার মেয়ের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।’

কিশোরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ এনামুল হক জানান, উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে। নিখোঁজ নৌযান এবং ব্যক্তিদের না পাওয়া পর্যন্ত অভিযান চলবে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআই
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!