রোববার রাত ৯টার দিকে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। এর আগে ওই দিন ভোর চারটার দিকে ময়মনসিংহের পাগলা থানাধীন লংগাইর গোলাবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার রাসেল মিয়া গাজীপুরের শ্রীপুর থানাধীন কাওরাইদ ইউনিয়নের শিমুলতলা গ্রামের মৃত শরাফত আলীর ছেলে।
.png)
র্যাব জানায়, ওই গৃহবধূ শ্রীপুরের কাওরাইদ ইউনিয়নের সিপির মোড় এলাকায় তার শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করেন। গত ২২ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গৃহবধূ তার আত্মীয় জমির উদ্দিনের সঙ্গে পার্শ্ববর্তী মসজিদ মাঠে ওয়াজ মাহফিলে ওয়াজ শুনতে যায়। এদিন রাত সাড়ে ৮টার দিকে ওয়াজ শোনা শেষে গৃহবধূ তার আত্মীয় জমির উদ্দিনের সঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে অজ্ঞাত চারজন ব্যক্তি গৃহবধূর পিছু নেয়। গৃহবধূ তার আত্মীয়কে নিয়ে স্থানীয় সুজন-সুমনের বাড়ির সামনে কাঁচা রাস্তা পর্যন্ত আসতেই নিরিবিলি স্থান পেয়ে ওই চারজন জমির উদ্দিনকে আটক করে গৃহবধূর মুখ চেপে ধরে কিছুটা দূরে গজারী বনের ভেতর নিয়ে গিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে গৃহবধূকে জঙ্গলের ভেতর রেখে চলে যায়।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ র্যাব-১৪ সদর দফতরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জুলফিকার আলী বলেন, পরে গৃহবধূ বাড়ি ফিরে পরিবারের লোকজনকে ঘটনাটি জানায়, পরে পরিবার পরামর্শে ২৪ ফেব্রুয়ারি ওই চারজনকে আসামি করে গণধর্ষণ মামলা দায়ের করেন গৃহবধূ।
ঘটনাটি র্যাবের নজরে আসলে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ময়মনসিংহের র্যাব-১৪ ও গাজীপুরের র্যাব-১ যৌথ অভিযান চালিয়ে রাসেলকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।