সোমবার (১ এপ্রিল) বিকেলে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতাল পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠায়। মৃত সালমা খাতুন পার্শ্ববর্তী যাদবপুর গ্রামের আশির মিয়ার মেয়ে।
এদিকে, ঘটনার পর থেকেই সালমা খাতুনের স্বামী রঙমিস্ত্রি মো. সম্রাটসহ বাড়ির সকল সদস্য পলাতক রয়েছেন। সম্রাট পার্শ্ববর্তী বড়বাড়ি গ্রামের মো. জালালের ছেলে।
.png)
জানা যায়, ঝিনাইদহ সদর উপজেলার ডুগডুগি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশুনা করতো সালমা খাতুন। স্কুলে যাওয়া আসার পথে সম্রাটের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। একপর্যায়ে দুই পরিবারের সম্মতিতে প্রায় তিনমাস আগে তাদের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা হতো। শনিবারও তাদের মধ্যে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হয়।
সোমবার (১ এপ্রিল) সকালে ঘরেই ছিল সালমা খাতুন। দুপুরে শ্বশুরবাড়ির লোকজন সালমার বাবা-মাকে জানান সে ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এরপর শ্বশুর লোকজন নিয়ে তাকে ভ্যানে করে সদর হাসপাতালে নিয়ে আসছিলেন। এ সময় হারিজের মোড় এলাকায় পৌঁছালে সালমার বাবার বাড়ির লোকদের দেখে ভ্যানে মরদেহ রেখেই পালিয়ে যান তারা।
ঝিনাইদহ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর আবিদুর রহমান জানান, সালমার মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। কারণ গলায় ওড়না পেঁচালে যে দাগ হয় সেরকম কোনো দাগ পাওয়া যায়নি। তাই সঠিক মৃত্যুর কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।