মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এমন তথ্য জানান পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম। এর আগে, ৩০ মার্চ বিকেলে ঐ এলাকার একটি তামাক ক্ষেত থেকে নিখোঁজের একদিন পর অর্ধশরীর পুঁতে রাখা মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত রোমান মিয়া খোলাহাটি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং গ্রেফতারকৃত আসামি আশিকুর একই এলাকার মুছা মিয়ার ছেলে। সে ঐ এলাকায় বিভিন্ন চুরির কাজে জড়িত।
.png)
সম্মেলনে জানানো হয়, মাসখানেক আগে ভাদাই খোলাহাটি এলাকার মোকসেদুল ইসলামের মায়ের ছাগল চুরি করে বিক্রি করে আসামি আশিকুর রহমান। চুরির সময় শিশু রোমান মিয়া তা দেখে ফেলে এবং পরবর্তীতে সালিশ বৈঠকে সাক্ষ্য দিলে আশিকুরের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। তখন থেকেই ক্ষোভ জন্মালে আশিকুরকে ছাগল চোর বলে সম্বোধন করে রোমান।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৯ মার্চ বিকেলে শিশু রোমানকে সেতু বাজারের তার বাবার কম্পিউটারের দোকান থেকে ডেকে নিয়ে যায় আশিক। সন্ধ্যার দিকে তামাক ক্ষেতে নিয়ে গিয়ে তাকে গলাটিপে ও শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরদিন তামাক ক্ষেতে কাজ করতে গিয়ে তার মরদেহ দেখে পুলিশকে জানান স্থানীয়রা।
এ ঘটনার পর পুলিশের কয়েকটি টিম তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন জনের সহযোগিতায় আসামি আশিকুরকে গ্রেফতার করে। সে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলেও এতে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ সার্কেল) ফজলুল হক, আদিতমারী থানার ওসি মাহমুদ উন নবী, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা (ওসি তদন্ত) রফিকুল ইসলামসহ জেলায় কর্মরত বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।