লাশ সুরতহাল করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছে পুলিশ। কারিমা একই গ্রামের জালাল মাঝির মেয়ে। স্বামী সোহেল রানার বাড়ি উপজেলার চরদুয়ানী হোগলাপাশা গ্রামের মোস্তফা সরদারের ছেলে ।
জানা যায়, রোববার রাতের খাবার খেয়ে ঘরের সবাই নিজ নিজ কক্ষে যায়। কিছুক্ষণ পর কারিমা স্বামীর বিছানা থেকে তার মা খাদিজা বেগমের কক্ষে যায় । পরে সোমবার ভোরে স্বামী সোহেল রানা স্ত্রী কারিমাকে বিছানায় দেখতে না পেয়ে শাশুড়ি খাদিজার কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে খোঁজাখুঁজি করে ঘরের সামনের বারান্দায় আড়ার সঙ্গে ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।
.png)
স্বামী সোহেল রানা বলেন, আমি ঢাকায় একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। ঈদের ছুটিতে আসছি। আজ সকালে ঢাকায় যাওয়ার কথা। এক সঙ্গে রাতের খাবার খেয়ে বিছানায় যাই। শাশুড়ি খাদিজার ব্যবহৃত স্মার্ট ফোনের লক খুলতে কিছুক্ষণ পর আমার পাশ থেকে কারিমা তার মায়ের কক্ষে গিয়ে আর আসেনি। আমার সন্দেহ হয় মা-মেয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে শাশুড়ি আমার স্ত্রীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখে। যেভাবে পা চেয়ারের সঙ্গে ছিলো তাতে আত্মহত্যা নয় এটি হত্যা।
শাশুড়ি খাদিজা বেগম বলেন, জামাই আমার মেয়েকে খুন করে ঝুলিয়ে রেখেছে।
পাথরঘাটা থানার ওসি জানান, প্রাথমিক তথ্য পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (পাথরঘাটা সার্কেল) গিয়ে লাশ উদ্ধার করেছে। সুরতহাল শেষে তদন্তের জন্য লাশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরবর্তী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।