বৃহস্পতিবার দুপুরে ঝালকাঠি থানায় মামলাটি দায়ের করেন দুর্ঘটনায় একই পরিবার নিহত ছয়জনের স্বজন হাদিউর রহমান (২৩)। তিনি নিহত হাসিবুর রহমান প্রিন্সের ছোট ভাই।
ঝালকাঠি থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, গাবখান সেতুর টোল প্লাজার সড়ক দুর্ঘটনায় হাদিউর রহমান নামে একজন মামলা করেছেন। এ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে ট্রাকচালক আল-আমিন ও হেলপার নাজমুলকে আদালতে পাঠানা হয়েছে। পরবর্তীতে তাদের রিমান্ডের আবেদন করা হবে।
.png)
আদালত পুলিশের পরিদর্শক কামরুজ্জামান জানান, সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মনিরুজ্জামান চালক আল-আমিন ও হেলপার নাজমুলকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গতকাল বুধবার ১৪ জন নিহতের ঘটনার তিন ঘণ্টার মধ্য শহরের বাসন্ডা গ্রাম থেকে তাদের আটক করে ডিবি পুলিশ। চালক আল-আমিন ঝালকাঠি সদর উপজলার বাসন্ডা ইউনিয়নের বাড়ইগাতি গ্রামের আনসার আলীর ছেলে। হেলপার নাজমুল খুলনার জোড়া গেট এলাকার কালু শেখের ছেলে।
ঝালকাঠি সদর থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, চালক আল-আমিনের ভারী যানবাহন চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স ছিল না। তিনি হালকা যানের লাইসেন্স দিয়ে ভারী যানবাহন চালাচ্ছিলেন।
উল্লেখ্য, বুধবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর ২টার দিকে খুলনা-ঝালকাঠি মহাসড়কে গাবখান ব্রিজের টোল প্লাজায় টোলের টাকা পরিশোধ করছিল একটি প্রাইভেটকার। ঠিক সেই সময়ে একটি সিমেন্টবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সামনে থাকা তিনটি ইজিবাইক ও প্রাইভেটকারকে ধাক্কা দেয়। এতে প্রাইভেটকারসহ অন্য তিনটি ইজিবাইক ভেঙে দুমড়ে-মুচড়ে যায়। মুহূর্তেই নারী-শিশুসহ ১৪ জন মারা যান।