সোমবার দুপুরে শহরের রবিদাস পল্লীর পূর্ব দিকে রেললাইনের পাশ থেকে চাঁদনী বেগম নামে ঐ তরুণীর মরদেহ উদ্ধার করেন রেলওয়ে থানার এসআই শফিকুল ইসলাম খান।
তিনি জানান, চাঁদনী বেগম মানসিক রোগী ছিলেন। মা-বাবার সঙ্গে সে পাশ্ববর্তী একটি ধানের বয়লারে থাকতো। তার গ্রামের বাড়ি হবিগঞ্জের লাখাই শিবপুরে।
স্থানীয়রা জানান, নিহত মেয়েটি পাগল ছিল। প্রায় সময়ই ব্রিজের নিচে ঘুরাঘুরি করতো। তবে মেয়েটির মৃত্যু ট্রেনের সঙ্গে ধাক্কা নাকি অন্য কোন কারণে মারা গেছে তা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। রহস্যজনক কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে অনেকে সন্দেহ করছেন।
.png)
মরদেহ উদ্ধার করা ডোম জিল্লু মিয়া বলেন, মরদেহ উদ্ধারের সময় লাশের মাথায় ও কানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে কীভাবে মারা গেছে, তা বলতে পারছেন না।
ভৈরব রেলওয়ে থানার এসআই শফিকুল ইসলাম খান বলেন, প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট নিহতদের শরীরের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানান। তার ধারণা ট্রেনের সাথে ধাক্কা লেগে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। ময়নাতদন্ত করার পর সঠিক কারণ জানা যাবে।