সোমবার (২২ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধানখোলা বাজার পাড়ায় নিজ বাসভবনের সিলিংফ্যানের সাথে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় পিংকির মরদেহ উদ্ধার করে গাংনী থানা পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, পিংকির স্বামী দীর্ঘদিন যাবত কাজের সুবাদে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছেন। আর পিংকি তার দুই শিশুকন্যা নিয়ে ধানখোলা বাজার এলাকায় বসবাস করে আসছিলেন। সোমবার সকাল ১০ টার দিকে পিংকি একটি কক্ষের দরজা বন্ধ করে ঘুমাতে যান। শিশু সন্তানদের নিয়ে পিংকির মা আঞ্জুমানারা খাতুন অন্য একটি কক্ষে শুইয়ে ছিলেন।
.png)
বিকেলের দিকে পিংকির মা আঞ্জুমানারা তাকে ঘুম থেকে ওঠার জন্য কক্ষের বাইরে থেকে ডাকতে থাকেন। বারবার ডাকার পরও কোনো সাড়া না পেয়ে স্থানীয় কয়েকজনকে সাথে নিয়ে দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে সিলিং ফ্যানের সাথে পিংকির ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে গাংনী থানা পুলিশের একটিদল তার মরদেহ উদ্ধার করে।
পিংকির মা আঞ্জুমানারা খাতুন জানান, পিংকির সাথে আমার জামাতা আনোয়ার হোসেনের ৪ মাস ধরে মানোমালিন্য চলছিল। এ কারণে সে অভিমানে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গাংনী থানার ওসি তাজুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পিংকির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়না তদন্তের জন্য মেহেরপুর জেনারেলের হাসপাতাল মর্গে মরদেহ নেয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে, এটি আত্মহত্যা।