রাজুর স্বজনরা জানান, সম্প্রতি এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী জুয়েল চৌধুরীসহ কয়েকজন রাজুকে মারধর করেন। ঘটনাটির পর শনিবার বিকেলে ফের রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রাজুর বাসায় যান তারা। এ সময় রাজু পাশের মন্দিরের পেছনে বিলে লুকানোর চেষ্টা করলে সেখানে গিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত করেন।
রাজুর বোন আছমা আক্তার বলেন, মারার পর তারা আমাদের বাসায় খবর পাঠিয়ে বলে- লাশ নিয়ে যা। এরপর আমরা ঐ জায়গায় গিয়ে আমার ভাইকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিলে সেখানে তার মৃত্যু হয়।
.png)
এ বিষয়ে পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরিফুল ইসলাম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সব আলামত সংগ্রহ করেছি। এ ঘটনায় জড়িত প্রত্যেককে দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনা হবে।
অভিযুক্ত জুয়েল চৌধুরীর বিরুদ্ধে এলাকায় চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয়রা জানান, জুয়েল চৌধুরী একজন চিহ্নিত অপরাধী ও কিশোর গ্যাং লিডার। জুয়েল ও তার সাঙ্গপাঙ্গদের দাপটে সারাক্ষণ ভয়ে থাকেন এলাকার লোকজন।
স্থানীয় কাউন্সিলর ইঞ্জিনিয়ার রূপক সেন বলেন, এলাকায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাতের বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে একাধিকবার ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেয়া অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।