মৃত সাব্বির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার গ্রামের বাড়ি রাজশাহীর চারঘাট উপজেলায়।
সাব্বিরের সাপের ছোবলে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি তার বন্ধু রাকিবুল ইসলামের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে প্রথম জানা যায়।
.png)
ফেসবুক পোস্টে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আসসালামু আলাইকুম। আমার বন্ধুকে গতকাল সন্ধ্যায় রাসেল ভাইপার বাইট করেছে। ৩৫ মিনিটের মধ্যে আল্লাহর রহমতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়েছিলো। ভ্যাক্সিন পুশ করার পরের কিছু সময় ভালো ছিলো। আজকে আইসিইউতে রাখা হয়েছে। খুব টেনশন হচ্ছে। আপনারা সবাই আমার বন্ধুর জন্য দোয়া করবেন প্লিজ। সে যেন আমাদের মাঝে আবার ফিরে আসে।’ পরে আরেকটি পোস্টের মাধ্যমে তিনি সাব্বিরের মৃত্যুর সংবাদ নিশ্চিত করেন।
রাকিবুল ইসলাম এ বিষয়ে বলেন, ‘মাগরিবের নামাজ শেষে কয়েকজন বন্ধু মিলে মোক্তার বাজার সংলগ্ন পদ্মাপাড়ে বসে আড্ডা দিচ্ছিলাম। সেখানে বসে সবাই জিলাপি খাচ্ছিলাম। জিলাপি খাওয়া শেষে আমাদের মধ্যে একজন কাগজের প্যাকেটটা ফেলে দেয়। সাব্বির হাত মোছার জন্য সেই কাগজটা তোলার সময় বিষধর রাসেল ভাইপার তাকে ছোবল দেয়। তখন সাপটিকে মেরে আমরা বন্ধুরা তাকে আধাঘণ্টার মধ্যে হাসপাতালে নিয়ে যাই। কিন্তু শেষমেশ তাকে আর বাঁচানো গেল না।’
রামেক হাসপাতালে পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. শামীম ইয়াজদানী বলেন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐ শিক্ষার্থী রাসেল ভাইপার সাপের ছোবলে মারা গেছে। তাকে আইসিইউতে রাখা হয়েছিলো। শেষ পর্যন্ত বাঁচানো সম্ভব হয়নি।