শুক্রবার (১৭ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সংলগ্ন বাটারফ্লাই পার্কের সামনের সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- আসাদুজ্জামান সানি ও ছয় বছরের শিশু সাদিক। তারা সম্পর্কে মামা-ভাগনে। আহতরা হলেন- ইমরান (৮), নুরুল আমিন (২১), তাসপিয়া সুলতানা (২০) ও নুসরাত বেগম (৩৫)। তারা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
.png)
জানা গেছে, হতাহতরা বেশিরভাগই একই পরিবারের। নেভাল এলাকায় ঘুরতে গিয়ে ফুটপাতে হাঁটার সময় এ দুর্ঘটনার শিকার হন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঘটনার কয়েক মিনিট আগে একটি রিকশাকে ধাক্কা দেয় লরিটি। এরপর দ্রুত পালানোর জন্য গাড়ির গতি বাড়িয়ে দেন চালক। এতে বাটারফ্লাই পার্কের সামনের সড়কে মোড় নিতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে থাকা ছয়জনকে ধাক্কা দিয়ে পুকুরে পড়ে যায় গাড়িটি। তাৎক্ষণিকভাবে পুকুর থেকে পাঁচজনকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে পাঠান স্থানীয়রা। সেখানে আসাদুজ্জামান সানি মারা যান। তবে নিখোঁজ ছিল শিশু সাদিক। লরির পেছনের অংশ রেকার ভ্যান দিয়ে পুকুর থেকে ওপরে তুলে আনা হলেও মেলেনি সাদিকের সন্ধান। পরে সামনে অংশটি তুললে রাত ১টার দিকে সাদিকের মরদেহ পাওয়া যায়। লরির নিচে চাপা পড়েছিল শিশুটি।
কেইপিজেড ফায়ার স্টেশনের সিনিয়র অফিসার মামুনুর রশীদ বলেন, দুর্ঘটনার পর আমাদের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে। তবে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করেছেন স্থানীয়রা।
চমেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশেক বলেন, দুর্ঘটনায় আহত পাঁচজনকে হাসপাতালে আনা হয়েছিল। এরমধ্যে একজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। বাকিরা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। দুর্ঘটনাকবলিত লরিটি হেফাজতে নিয়ে চালক কামাল উদ্দিনকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।