তিনি সরকারের বিভিন্ন দফতরে চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে কয়েক কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। এখন টাকা উদ্ধারসহ প্রতারকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ভুক্তভোগীদের।
জানা যায়, প্রায় দের বছর আগে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার চরঘোগী এলাকার বদর উদ্দিনের ছেলে হারুন অর রশিদ উপজেলার বিভিন্ন একালায় প্রতারণার জাল ফেলে। তিনি নিজেকে এনএসআই এর এডি (অতিরিক্ত পরিচালক) পরিচয় দেন এবং স্থানীয় মানুষকে নিজের ভুয়া পরিচয়পত্র ও নিয়োগপত্র দেখান। এতে করে সাধারণ মানুষ সহজেই তাকে বিশ্বাস করেন।
.png)
এভাবে গ্রামের মানুষেদের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলে হারুন অর রশিদ। পরে স্থানীয় যুবকদের চাকরি দেওয়ার কথা বলে অনন্ত ২৫ জনের কাছ থেকে ১০ থেকে ২৪ লাখ টাকা পর্যন্ত হাতিয়ে নেন। এরপর, একজনের কাছ থেকে স্বর্ণের ব্যবসার কথা বলে ৭০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
দীর্ঘদিন পর রোববার রাতে দেলদুয়ার উপজেলার লাউহাটিতে প্রতারক হারুন অর রশিদ তার বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যান। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কয়েকজন পাওনাদার ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে আটক করে মির্জাপুর উপজেলার দেওরা গ্রামে নিয়ে আসেন। সকাল হলে প্রতারক পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে পাওনাদাররা তাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন।
এদিকে, তাকে ধরে আনার পর থেকে তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও পরিবারের কেউই আসেনি। পরে পাওনাদাররা ৯৯৯ এ ফোন করে হারুনকে পুলিশে সোপর্দ করেন।
এ বিষয়ে পুলিশ কথা বলতে রাজি হয়নি। তবে বানাইল ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. ফয়সাল খান, প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।