স্থানীয় ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার দুপুরে পরিবারের সদস্যদের জন্য খাবার রান্না করছিলেন রহিমা বেগম। এ সময় তার বাম পায়ে একটি সাপ ছোবল দেয়। তিনি চিৎকার দিলে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে আজিমউদ্দিন মোড়ল নামে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। ওঝা ঝাড়ফুঁক করার পর তার অবস্থা আরোপ খারাপ হলে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক রহিমা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন।
রহিমা বেগমের ছেলে রহমান তালুকদার বলেন, সাপে ছোবল দিলে আমরা মাকে স্থানীয় ওঝা আজিমউদ্দিন মোড়লের কাছে নিয়ে যাই। তিনি ঝাড়ফুঁক দেওয়ার একপর্যায়ে মায়ের শারীরিক অবস্থা আরো খারাপ হয়। পরে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আমার মাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওঝার কাছে না নিয়ে হাসপাতালে নিয়ে গেলে হয়তো আমার মাকে বাঁচাতে পারতাম।
.png)
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসা কর্মকর্তা কবির আলম বলেন, সাপে ছোবল দেওয়া এক বৃদ্ধাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে মৃত ঘোষণা করি। ক্ষতস্থান দেখে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, রাসেলস ভাইপার সাপের ছোবলে তার মৃত্যু হয়েছে।
জাজিরা থানার ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, সাপের ছোবলে বৃদ্ধার মৃত্যুর বিষয়ে অপচিকিৎসা সংক্রান্ত কেউ থানায় অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।