রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি, লংগদু, বরকল, জুরাছড়ি ও বিলাইছড়ি এ ৫ উপজেলার ৪ লাখ মানুষের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম এ নৌপথ।
লংগদু রুটের যাত্রী হাবিব বলেন, হ্রদে পানি যখন কম ছিল তখন চলাচলের ব্যাপক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছিল। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো ছোট বোটে। আবার হ্রদে ঝড় হলে এ বোটগুলো ডুবে যাওয়ার শঙ্কা থাকে। মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো। হ্রদের পানি বৃদ্ধি পাওয়া এখন লঞ্চ চলছে যাতে অনেকাংশে দুর্ভোগ কমেছে।
.png)
বরকল রুটের যাত্রী কমল চাকমা বলেন, যখন পানি ছিল না তখন ২ ঘণ্টার পথ প্রায় ৪ ঘণ্টা লাগতো। আর পণ্য পরিবহণ ছিল কষ্টের। যেখানে পণ্য নিতে ১০ টাকা পরিবহন ব্যয় হতো সেখানে ৫০ টাকাও লেগেছে। এর ফলে জিনিসপত্রের দামও বেড়ে গেছে বরকল উপজেলায়। এখন পানি বাড়ায় যাত্রী ও পণ্য পরিবহন কিছুটা সহজ হবে।
লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মঈন উদ্দিন সেলিম জানান, হ্রদে পানি বৃদ্ধি পাওয়া যেসব উপজেলায় চলাচল করা সম্ভব হচ্ছে সেই উপজেলাগুলোতে লঞ্চ চলাচল শুরু হয়েছে। পানি কম থাকায় বাঘাইছড়ি উপজেলায় লঞ্চ যাচ্ছে না। তবে পানি বৃদ্ধি পেলে লঞ্চ চলাচল করবে।
তিনি আরো জানান, প্রতি বছর শুঙ্ক মৌসুমে প্রায় চার মাসের বেশি সময় লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় লঞ্চের শ্রমিক ও যাত্রীদের ব্যাপক দুর্ভোগে পড়তে হয়। প্রতি বছর এই সময়ে হ্রদ ড্রেজিংয়ের কথা উঠলেও এর সুফল পায় না রাঙ্গামাটিবাসী।