বুধবার সকালে পুলিশ অভিযান চালিয়ে শামিম মিয়াকে গ্রেফতার করে বিকালে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রেরণ করেন। আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। গ্রেফতারকৃত শামিম মিয়া উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পাখিমারা গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত তিন বছর আগে উপজেলার পাখিমারা গ্রামের সোলাইমান হোসেনের ছেলে শামিম মিয়ার সঙ্গে একই ইউনিয়নের তারাকান্দি এলাকার দেলোয়ার মিয়ার মেয়ে অর্থী জান্নাতের পারিবারিকভাবে বিয়ে হয়। তাদের সংসারে আট মাসের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। মেয়ের সুখের কথা ভেবে বিয়ের সময় শামিমকে নগদ ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা ও ঘরের ফার্নিচার বাবদ ১ লাখ টাকা দেয় মেয়ের বাবা দেলোয়ার হোসেন।
.png)
কিন্তু বিয়ের পর থেকে স্বামী শামিম মিয়া স্ত্রী অর্থী জান্নাতকে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করেন। আরো যৌতুক দাবি করেন শামিম মিয়া। যৌতুক দিতে অস্বীকার করলে ফের নির্যাতন চালায় শামিম ও তার পরিবার। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে অর্থী জান্নাত বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে বুধবার শামীমের বিরুদ্ধে সরিষাবাড়ি থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ওই দিনই শামিমকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠান।
এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ি থানার অফিসার ইনচার্জ মুশফিকুর রহমান বলেন, প্রাথমিক তদন্তে স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার বিকেলে শামিমকে আদালতে পাঠালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।