নিহত শিশুটির নাম তাসনিদ উসমান। তার বাবা ডা. উসমান গণি। তিনি সেন্ট্রাল হাসপাতাল নামের একটি স্থায়ীয় হাসপাতালের মালিক ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারী অধ্যপক।
এদিকে স্থানীয়রা জানান, ডা. উসমান গণির দ্বিতীয় স্ত্রী তৃশা। তাদের পরিবারের বোরাক নামের দেড় বছরের একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। সাত দিন আগে ডা. উসমান গনির মাধ্যমে সিজারিয়ান অপরেশনের মাধ্যমে নবজাতকের জন্ম হয়। তবে বেশ কিছুদিন যাবত তাদের পরিবারে কলহ লেগে রয়েছে। প্রায় সময় তাদের বাসা থেকে চিৎকার চেঁচামেচির শব্দ শুনতে পাওয়া যেত। কলহ লেগেই রয়েছে বলে জানায় স্থানীরা।
.png)
ভৈরব থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, নবজাতক শিশু তাসনিদ ছিল তৃষা ও ডাক্তার উসমান গণি দম্পতির দ্বিতীয় সন্তান। তাদের দেড় বছরের আরেকটি সন্তান রয়েছে। তৃষা অর্নাসপড়ুয়া একজন ছাত্রী। তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সন্তান নিতে চাননি। কিন্তু এ সন্তানটি হয়ে গেলে তিনি আর নষ্ট করেননি। এ নিয়ে তার স্বামী ডাক্তার উসমান গনির সঙ্গে ঝামেলা চলছিল। তিনি এই সন্তানটি নিতে চাননি- এ নিয়ে স্বামীর সঙ্গে রাগে ক্ষোভে বাথরুমের বেলকনি থেকে শিশুকে ফেলে হত্যা করেন বলে স্বীকার করেন তৃষা। এ ঘটনায় শিশুটির পিতা ডাক্তার উসমান গনি বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন।