মঙ্গলবার (২৫ জুন) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশন গোপালগঞ্জের উপ-পরিচালক ও তদারকী কমিটির সদস্য সচিব মো. মশিউর রহমান।
তিনি জানান, গত ১৫ জুন থেকে গত ২৪ জুন পর্যন্ত ১০দিনে পার্কে দর্শনার্থী প্রবেশ ফি ও বিভিন্ন রাইড চড়া বাবদ আয় হয়েছে ৫ লাখ ৩৪ হাজার ৯৩০ টাকা, আম বিক্রি বাবদ ৪৮ হাজার ২১৬ টাকা, ধান বিক্রি বাবদ ১ লাখ ৫৩ হাজার ৭২০ টাকা ও কাশফুল বিক্রি বাবদ আয় হয়েছে ২০ হাজার টাকা। মোট আয় হয়েছে ৭ লাখ ৫৬ হাজার ৮৬৬ টাকা।
.png)
তিনি আরো বলেন, আয় হওয়া এসব টাকা তদাররি কমিটির ব্যাংক হিসাবে জমা করা হয়। আর সাভানা পার্কের কর্মচারীদের বেতন, বিদ্যুৎ বিলসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় হয়েছে ৬৯ হাজার ৪৩৭টাকা। নিট আয় বাবদ ব্যাংকে রয়েছে ৬ লাখ ৮৭ হাজার ৪২৯ টাকা।
প্রসঙ্গত, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক সাভানা পার্ক তদারকি কমিটি ও জেলা প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় গত শুক্রবার (১৫ জুন) সকাল ৮টা থেকে সর্বসাধারণের জন্য পার্কটি খুলে দেওয়া হয়। ওইদিন সকাল থেকে আগের মত একশ টাকা গেট ফি দিয়ে পার্কের ভেতরে প্রবেশ করেন দর্শনার্থীরা।