আটককৃত হারুন ওরফে বাবুল জামালপুর জেলার সরিষাবাড়ি থানার বাগমারী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি নিজেকে সাভারের আশুলিয়া হাইওয়ে পুলিশ উপপরিদর্শক হিসেবে পরিচয় দিতেন।
পুলিশ জানায়, গত ৬ জুন বৃহস্পতিবার জেলা শহরের জেলখানা মোড়ের ‘হলি লাইফ হাসপাতালে’ এক নারী রোগীকে নিয়ে এসে প্রতারণা করে তার ব্যাগ নিয়ে পালিয়ে যান অভিযুক্ত হারুন। তার ওই ব্যাগে নগদ ১৫ হাজার টাকা, ৪ আনা ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন ও তার ব্যবহৃত সিমসহ একটি স্মার্টফোন ছিল। পরে ওই নারী কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে ঘটনাটি জানান।
.png)
পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সিসি ক্যামেরা থেকে তার ছবি স্থানীয় সাংবাদিকদের সরবরাহ করে। শনিবার দুপুরে নরসিংদী সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন রাজু বাড়ি থেকে জেলখানার মোড়ে আসলে তিনি প্রতারক ও ভুয়া পুলিশ হারুনকে দেখতে পান। পরে তিনি দায়িত্বরত নরসিংদী ট্রাফিক পুলিশের টিআই আবুল বাসার আকন্দ, সার্জেন্ট শামীম আহমেদ এবং এটিএসআই মো. মোস্তফা কামালের সহায়তায় তাকে আটক করেন। পরে তাকে হলি লাইফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তৃপক্ষও তাকে চিহ্নিত করে। পরে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে তিনি প্রতারণার কথা স্বীকার করেন।
তিনি জানান, তার গায়ে পরিহিত পোশাকটি ঢাকার একটি মার্কেট থেকে কিনেছেন। তিনি সাত মাস ধরে বিভিন্ন স্থানে প্রতারণা করে সাধারণ মানুষের টাকা-পয়সা লুট করার কথা স্বীকার করেন।
এই সময় তার কাছ থেকে একটি লেজার লাইট ও একটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। পরে তাকে নরসিংদী সদর মডেল থানার পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
নরসিংদী সদর মডেল থানার এসআই নাসিম বলেন, তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। আর ভুক্তভোগী নারী থানায় আসতেছেন। তার সঙ্গে কথা বলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।